reviled

১৯৪৮) তকবীর পত্রিকায় 'পূর্ব পাকিস্তানের শিক্ষার ভাষা সমতা' নামে আর একটি লেখা প্রকাশ করেন।৬ এই লেখাটিতে তিনি বাংলা, আরবী, উর্দু এবং বাংলা কিন্তু উর্দু পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা রূপে গৃহীত হইবে। পূর্ব পাকিস্তান আরবী সংঘ নামে একটি প্রতিষ্ঠানের কার্যকারী সমিতি ডক্টর শহীদুল্লাহর সভাপতিত্বে ১৯৪৯ সালের ডিসেম্বের মাসে পাকিস্তান গণ পরিষদে পেশ করার জন্য একটি খসড়া স্মারকলিপি অনুমোদন করেন। তাতে আরবীকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা করার দাবীতে কলেজ কমনরুমে একটি সভা আহ্বান করেন। সেখানে প্রাদেশিকতা দূর করার উপায় হিসাবে আরবীকে রাষ্ট্রভাষা করার প্রস্তাবঃ বাংলা ভাষায় আরবী হর। প্রবর্তনের দাবীকে কতকগুলি মহলে জোরদার করে। বিভিন্ন মহলে মারবীকে রাষ্ট্রভাষা করার জন্যে সরকারকে অনুরোধ জানানো হয়। এর পর ১৮ই জানুয়ারি, ১৯৫০, রাজশাহী কলেজের কিছু সংখ্যক ছাত্র আরবীকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা রূপে গ্রহণ করার এবং বাংলা ভাষায় আরবী হর। প্রবর্তনের দাবীকে কতকগুলি মহলে জোরদার করে। বিভিন্ন মহলে মারবীকে রাষ্ট্রভাষা করার প্রয়োজনীয়তার উল্লেখ করা হয়। আরবী ভাষাকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা করা হলে আরব জাহান, উত্তর আফ্রিকা এবং ইন্দো নেশিয়ার মুসলমানদের মধ্যে সাধারণ যোগাযোগ স্থাপিত হবে। এ প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, আমি খেয়ালের বশে কোনো কিছু বলিতেছি না। আমি যাহা বলিতেছি তাহা জনসাধারণের এক বিরাট অংশের নিকট অপ্রিয়। কিন্তু তবুও দুনিয়ার মুসলমানদের সম্মুখে আমার মতামত প্রকাশ না করিলে আমার কর্তব্য অসমাপ্ত থাকিবে এবং এছলামের প্রতি বিশ্বাসঘাতকতা করা হইবে। আরবীকে রাষ্ট্রভাষা করার এই সব প্রস্তাব অবশ্য পাকিস্তানের কোনো অংশেই তেমন কোনো সমর্থন লাভ করে নাই। তবে এই দাবী ইসলামী সংস্কৃতির বিকাশের প্রশ্নের সাথে জড়িত থাকায় তা পরোক্ষভাবে রাষ্ট্রভাষা উর্দু এবং ইংরেজী ভাষা পরিত্যক্ত হয়, তবে উর্দু ভাষার দাবী বিবেচনা করা কর্তব্য। এখানে একটি জিনিস বিশেষভাবে লক্ষণীয়। উর্দুর দাবী বিবেচনার ক্ষেত্রে ডক্টর শহীদুল্লাহ তার প্রবন্ধটির শেষে বলেন: বাংলা দেশের কোর্ট ও বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা ভাষার পরিবর্তে উর্দু ভাষার দাবী বিবেচনা করা কর্তব্য। এখানে একটি জিনিস বিশেষভাবে লক্ষণীয়। উর্দুর দাবী বিবেচনার ক্ষেত্রে ডক্টর শহীদুল্লাহ তার প্রবন্ধটির শেষে বলেন: বাংলা দেশের কোর্ট ও বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা ভাষার পরিবর্তে উর্দু ভাষার দাবী বিবেচনা করা কর্তব্য। এখানে একটি জিনিস বিশেষভাবে লক্ষণীয়। উর্দুর দাবী বিবেচনার ক্ষেত্রে ডক্টর শহীদুল্লাহ তার প্রবন্ধটির শেষে বলেন: বাংলা দেশের কোর্ট ও বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা ভাষার থেকে ঘনিষ্ঠ। শহীদুল্লাহ সাহেব এ ব্যাপারে কিছু উল্লেখ করার প্রয়োজন বোধ করেননি। তার মতে আরবী ভাষাই বিশ্বের মুসলমানদের জাতীয় ভাষা।ও সেই হিসাবে তিনি মনে করেন যে আরবী ভাষা প্রবর্তন করলে মুসলিম জাহানের সাথে পাকিস্তানের সম্পর্ক আরও ঘনিষ্ঠ হবে এবং তার ফল স্বরূপ রাজনৈতিক দিক দিচ্ছে এ দেশ লাভবান হবে। এর পর ১৮ই জানুয়ারি, ১৯৫০, রাজশাহী কলেজের কিছু সংখ্যক ছাত্র আরবীকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা করার প্রস্তাব করেন এবং তাঁর এই প্রস্তাব সিন্ধু আইন পরিষদের সদস্ত এবং সিন্ধু আরবী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর সৈয়দ আকবর শাহ কর্তৃক সমর্থিত হয়। এই প্রসঙ্গে এক বিবৃতিতে তিনি বলেন যে আরবীকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা করার সপক্ষে অভিমত ব্যক্ত করেন। এই বক্তব্যের বিরুদ্ধে প্রতিষ্ঠানগতভাবে কোনো প্রতিবাদ কেউ করেনি। মুসলিম লীগ মহলেও এ নিয়ে কোনো বিতর্কের সূচনা হয়নি। কিন্তু জিয়াউদ্দীন আহমদের এই সুপারিশের অসারতা সম্পর্কে পূর্ব পাকিস্তানের জনসাধারণ ও শিক্ষিত সমাজকে অবহিত করার উদ্দেশ্যে ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহর ভূমিকাই সব থেকে উল্লেখযোগ্য এবং ভাষা সম্পর্কে তাঁর অন্যান্ত বক্তব্যের সাথে অসঙ্গতিপূর্ণ। তিনি উর্দুকে রাষ্ট্রভাষা রূপে গৃহীত হইবে। পূর্ব পাকিস্তান আরবী সংঘ নামে একটি প্রতিষ্ঠানের কার্যকারী সমিতি ডক্টর শহীদুল্লাহর সভাপতিত্বে ১৯৪৯ সালের ডিসেম্বের মাসে পাকিস্তান গণ পরিষদে পেশ